
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে লন্ডন থেকে ভিডিও বার্তায় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ।” তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর কোনো বিদেশি শক্তির আধিপত্য মেনে নেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে লন্ডন থেকে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা বলেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া এই বার্তায় তারেক রহমান জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শুধু বাংলাদেশের জনগণই নির্ধারণ করবে।
তিনি বলেন: “দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা কারও কাছে মাথা নত করব না। আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের ওপর কোনো বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ যে স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে, তা রক্ষা করতে হবে।”
তারেক রহমান আরও বলেন: “এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়, এটি বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। যারা বিদেশি শক্তির ইশারায় চলতে চায়, তাদের জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে। আমরা একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই—যেখানে কোনো বিদেশি শক্তির কথায় নয়, জনগণের ইচ্ছায় দেশ চলবে।”
প্রেক্ষাপট তারেক রহমানের এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মহল থেকে বিদেশি প্রভাব ও হস্তক্ষেপ নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তার প্রেক্ষাপটে এই বার্তাকে অনেকে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন।
বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন, এই বার্তা দলের নির্বাচনি প্রচারণায় নতুন গতি যোগ করবে এবং জনগণের মধ্যে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার বার্তা আরও জোরালোভাবে পৌঁছে দেবে।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগ ও তার মিত্র দলগুলোর নেতারা এই বক্তব্যকে “বিদেশবিরোধী প্রচারণা” হিসেবে চিহ্নিত করে সমালোচনা করেছেন।
মন্তব্য করুন