বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃ*ত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এবং ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস–এর কাছে পাঠানো পৃথক শোকবার্তায় তারা এই শোক প্রকাশ করেন। আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এই বার্তাগুলো প্রকাশ করা হয়।
জাতিসংঘ মহাসচিবের শোকবার্তা (২ জানুয়ারি পাঠানো):
- “বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমি অত্যন্ত দুঃখিত।”
- বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্বতন্ত্র ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান অধিকার করে আছেন।
- দীর্ঘদিনের জনসেবা ও নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখে গেছেন।
- জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণ, প্রয়াত নেত্রীর পরিবার, সরকার ও দেশের মানুষের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা ও গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।
ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টের শোকবার্তা (৩০ ডিসেম্বর পাঠানো):
- “চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন।”
- ফিলিস্তিনি জনগণের পক্ষ থেকে ভ্রাতৃপ্রতিম বাংলাদেশি জনগণ, সরকার ও মরহুমার পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা ও গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।
- “মহান আল্লাহ যেন মরহুমাকে জান্নাতবাসী করেন এবং শোকাহত পরিবারসহ সবাইকে এই দুঃখ সহ্য করার ধৈর্য ও সান্ত্বনা দান করেন।”
সংক্ষিপ্ত পটভূমি:
- ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫: ভোর ৬টায় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে খালেদা জিয়ার মৃত্যু।
- তিনি দীর্ঘদিন হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন।
- ৩১ ডিসেম্বর: বিকেলে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।
এই শোকবার্তাগুলো খালেদা জিয়ার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাবের স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।