
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য কাজ করছে সরকার। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি করে দেশের অর্থনীতিকে গভীর খাদে ফেলে দিয়েছে। সেই খাদ থেকে অর্থনীতিকে টেনে তোলার চেষ্টা চলছে।’
গতকাল শনিবার সচিবালয়ে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা ভঙ্গুর একটা অর্থনীতি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি। সেখান থেকে রিভাইভ করার চেষ্টা করছি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইরান যুদ্ধের সংকট। আমরা কিন্তু টাকা না ছাপিয়েই এই সংকট সামাল দিচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, আসছে বাজেটে বেসরকারি খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বাজেট হবে জনকল্যাণকর ও গণমুখী। করহার বাড়ানো নয়, করের আওতা বাড়ানোর দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ণে বিশ্বাসী। ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, খেলাপি ঋণ কমানো এবং টাকা পাচার রোধে কাজ চলছে।”
এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, কর ফাইলিং পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় করা হবে। ভ্যাট ফাঁকি রোধে পণ্যে ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেন, “ঋণের এক-তৃতীয়াংশ খেলাপি হয়ে গেছে। এটা চুরি। নিয়ম-কানুন না মেনে ঋণ দেওয়া হয়েছে।”
খবরচিত্র.কম
মন্তব্য করুন