
ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের প্রথম জনসম্মুখে বক্তব্য: নারীদের বাদ দিয়ে দেশ এগোবে নাবিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একমাত্র কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বলেছেন, জনসংখ্যার অর্ধেক অংশ (নারীদের) পেছনে রেখে বাংলাদেশ কখনোই বেশি দূর এগিয়ে যেতে পারবে না। তিনি আরও বলেন, “নিজের ছোট্ট জায়গা থেকেও দেশ ও সমাজের জন্য কিছু করার আন্তরিকতা আমাদের সবার মধ্যে থাকা উচিত।”এসব কথা তিনি রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে রোববার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে ‘জাতি গঠনে নারী: নীতি, সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বলেন। ঢাকা ফোরাম এই পলিসি ডায়লগের আয়োজন করে।প্রথম জনপরিসর বক্তব্যগত ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে বাবা-মায়ের সঙ্গে দেশে ফেরার পর এটিই জাইমা রহমানের জনসম্মুখে বা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রথম বক্তব্য। তিনি বিনয়ের সঙ্গে বলেন, “আমি এমন কেউ নই যার কাছে সব সমস্যার সমাধান আছে বা সব প্রশ্নের উত্তর জানা আছে। তবুও আমি এখানে এসেছি শোনার, শেখার এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে।”গণতন্ত্রের সৌন্দর্য নিয়ে মন্তব্যজাইমা রহমান বলেন, “আজ আমরা এখানে যারা উপস্থিত, আমাদের আদর্শ, অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন। তা সত্ত্বেও আমরা একসঙ্গে বসেছি, আলোচনা করছি। কারণ আমরা সবাই দেশ ও দেশের মানুষের জন্য ভাবছি। এই ভিন্নতা নিয়ে একসঙ্গে কথা বলা এবং একে অপরের কথা শোনা—এটাই গণতন্ত্রের আসল সৌন্দর্য।”পরিবারের উত্তরাধিকার ও নারী ক্ষমতায়নতিনি তার দাদা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দাদি বেগম খালেদা জিয়ার নারী ক্ষমতায়নে অবদানের কথা তুলে ধরেন। জিয়াউর রহমান নারীদের বাদ দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে বিশ্বাস করতেন। খালেদা জিয়া কন্যাশিক্ষাকে অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন, যেমন ফ্রি সেকেন্ডারি স্কুলিং এবং Female Secondary School Assistance Project (FSSAP) এর মতো কর্মসূচি।জাইমা আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে নারীরা অর্থনৈতিকভাবে অদৃশ্য ৮৫% অবৈতনিক গৃহস্থালি ও যত্নের কাজ করে, যা জিডিপির ১৯% মূল্যের সমান।অনুষ্ঠানের বিস্তারিতঅনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিভিন্ন পেশার নারীসহ বিশিষ্টজনরা অংশ নেন। এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, কারণ এটি জাইমা রহমানের রাজনৈতিক যাত্রার সম্ভাব্য শুরু হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন