বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচনে অস্বচ্ছতা ও অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। কমিটি সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বিরুদ্ধে সরাসরি ১৮টি অভিযোগ এনেছে।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গত ১১ মার্চ পাঁচ সদস্যের এই কমিটি গঠন করেছিল। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলে (আইসিসি) পাঠানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিসিবির পরিচালনা কমিটি ভেঙে দিয়ে আজ (৭ এপ্রিল) নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে এনএসসি। তামিম ইকবালকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির অভিযোগসমূহ (সারসংক্ষেপ):
- কাউন্সিলর নাম জমা দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি
- অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর নাম পুনঃপ্রেরণের নির্দেশ
- নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে মনোনয়নের জন্য চাপ
- অ্যাডহক কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন
- চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নির্দিষ্ট সময়ের পর প্রকাশ
- অ্যাডহক কমিটিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বিসিবির অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ
- সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার হস্তক্ষেপ
- ক্রীড়া উপদেষ্টার সহায়তায় ই-ভোটে নির্বাচন কারচুপি
- নির্দিষ্ট স্থান থেকে গোপনীয়তা ব্যতীত ই-ভোট প্রদান
- অ্যাডহক কমিটিতে আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে অন্তর্ভুক্ত করা
- নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ
- বিসিবি সংবিধানের লঙ্ঘন
- ই-ভোটিং সিস্টেমের অপব্যবহার
- সময়সীমার পর মনোনয়ন গ্রহণ
- পছন্দের প্রার্থীদের অনৈতিক সুবিধা প্রদান
- নির্দিষ্ট স্থানে ই-ভোটারদের ভোট প্রদানে প্রভাবিত করা
- সামগ্রিক ভোটদান পরিবেশ
- বিসিবি সংবিধানের লঙ্ঘন
কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমিনুল ইসলাম বুলবুল একপক্ষীয়ভাবে ১০ জন সাবেক ক্রিকেটারকে কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন করে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।
খবর চিত্র প্রতিবেদক